<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সালমা তালুকদার &#8211; যোগসূত্র</title>
	<atom:link href="https://www.jogsutra.com/tag/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.jogsutra.com</link>
	<description>সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতির অন্তর্জাল</description>
	<lastBuildDate>Sat, 19 Aug 2023 05:37:45 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.1</generator>

<image>
	<url>https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2021/01/cropped-jogsutra-32x32.png</url>
	<title>সালমা তালুকদার &#8211; যোগসূত্র</title>
	<link>https://www.jogsutra.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>মায়া ॥ সালমা তালুকদার</title>
		<link>https://www.jogsutra.com/2023/08/19/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://www.jogsutra.com/2023/08/19/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[যোগসূত্র]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 19 Aug 2023 05:37:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[সালমা তালুকদার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.jogsutra.com/?p=2836</guid>

					<description><![CDATA[সৈয়দ মোহাম্মদ জাকিরের ‘মায়া’ শীর্ষক একক প্রদর্শনীর উদ্ভোধন হয় গত ২২ জুলাই ২০২৩, বেঙ্গল শিল্পালয়ে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক লালারুখ সেলিম, শিল্পী ও শিল্প লেখক মুস্তাফা &#8230; ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div><p style="text-align: justify">সৈয়দ মোহাম্মদ জাকিরের ‘মায়া’ শীর্ষক একক প্রদর্শনীর উদ্ভোধন হয় গত ২২ জুলাই ২০২৩, বেঙ্গল শিল্পালয়ে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক লালারুখ সেলিম, শিল্পী ও শিল্প লেখক মুস্তাফা জামান এবং শিল্পী মাহবুবুর রহমান।</p>
<p style="text-align: justify">শিল্পী মন বড় অদ্ভুত। না চাইলেও অনেক গভীরে তার মন প্রবেশ করে। এটা আটকানোর মত ক্ষমতা অনেক সময় তার নিজের হাতেও থাকে না। শিল্পী কখনো একা কোথাও বিচরণ করেন না। তার সাথে সর্বক্ষণ তার দ্বৈত স্বত্বা সঙ্গী হিসেবে থাকেন। কথা বলেন। সঙ্গ দেন। কখনো কখনো শিল্পীর অদ্ভুৎ অবাস্তব চিন্তাকে আরও বেশি সক্রিয় করে তুলতে সহযোগিতা করেন। গভীর থেকে গভীরে প্রবেশ করতে প্রতিনিয়ত তাকে তাড়না যোগান। আর তাতে করে শিল্পীর মধ্যেও বেশ একটা তাড়াহুড়ো দেখা দেয়। যতক্ষণ পর্যন্ত তার ভেতরের বিচিত্র চিন্তার বহিঃপ্রকাশ না ঘটছে তিনি শান্ত হন না।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="size-medium wp-image-2838 alignright" src="https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya-300x176.jpg" alt="" width="300" height="176" srcset="https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya-300x176.jpg 300w, https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya.jpg 725w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p style="text-align: justify">প্রদর্শনীটি যার তিনি সৈয়দ মোহাম্মদ জাকির। উন্মুক্ত স্থানে কাজ করতে ভালোবাসেন। ল্যান্ডআর্ট, পারফরম্যান্স-আর্ট, ইন্সটলেশনসহ দৃশ্যশিল্পের নানা মাধ্যমে প্রায় পঁচিশ বছর ধরে তিনি কাজ করছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ভাস্কর্য বিভাগে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এশিয়ান বিয়েনাল, জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী, ছবিমেলাসহ বিভিন্ন প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify">জলবায়ু সংকট, মানবিক পৃথিবীর আবশ্যিকতা তিনি তুলে ধরতে প্রয়াসী হয়েছেন পুনঃব্যবহারযোগ্য উপাদানে নির্মিত ইন্সটলেশন, ভাস্কর্য ও ড্রইংয়ের সমন্বয়ে।</p>
<p style="text-align: justify">নিরীক্ষাপ্রবণ শিল্পী সৈয়দ মোহাম্মদ জাকির। স্বতঃস্ফুর্ততা শিল্প সৃষ্টিতে তাঁকে উদ্দীপিত করে। ফেলে দেওয়া, কুড়িয়ে পাওয়া সহজলভ্য বস্তুকে উপাদান হিসেবে গ্রহণ করেছেন শিল্পী। এসব বস্তুর সাথে রেখাচিত্র যুক্ত করে জাকির কখনো স্বাধীনভাবে বিচরণ করেন কল্পনার জগতে। বাস্তব অভিজ্ঞতার মিশেলে আধ্যাত্বিকতা, জাগতিক ও মহাজাগতিক সময়ের স্বরুপ, গতিশীলতা, বস্তুজগতের অভিজ্ঞতায় ভর করে তাঁর অনুসন্ধানী মন শিল্পকে আধার হিসেবে গ্রহণ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify">রাস্তাঘাটে কুড়িয়ে পাওয়া জিনিসের মধ্যে প্রাণ খুঁজে পেয়ে এদের একত্রিত করেছেন। তার শিক্ষা কাজে লাগিয়েছেন। আমিও রাস্তাঘাট থেকে গাছের ডাল হতে শুরু করে অনেক কিছু কুড়াই। কিন্তু আমার পক্ষে শৈল্পিক রুপ দেওয়া কঠিন। খুব ইচ্ছে করলো তার এই কাজের পেছনে তার চিন্তা-ভাবনা জানতে। তিনি আসলেন দেরি করে। আমি চারবার খোঁজের পর তাকে পেলাম। জিজ্ঞেস করলাম, এদের জোগাড় করেছেন কি মনে করে। সুন্দর করে শান্ত কণ্ঠে উত্তর দিলেন, ‘যেখান থেকে এনেছি সেখান থেকে তুলে এনে অন্য জায়গায় রেখে দেখতে চেয়েছি। অন্য পরিবেশে তাকে কেমন লাগে অথবা কিভাবে মানিয়ে যায়।’</p>
<p><img decoding="async" class="size-medium wp-image-2839 alignleft" src="https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya4-300x176.jpg" alt="" width="300" height="176" srcset="https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya4-300x176.jpg 300w, https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya4.jpg 725w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p style="text-align: justify">তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন এদের সবার প্রাণ আছে। এবং এরা নতুন পরিবেশে নতুন ভাবে নিজেকে প্রকাশ করে।</p>
<p style="text-align: justify">জাকির বলেন, এই প্রদর্শনী আমার সমসাময়িক চিন্তা, পর্যবেক্ষণ, দীর্ঘদিনের শিল্পচর্চা ও শিল্পভাবনার কিছু বিষয়ের দৃশ্যরুপ। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে করা কাজ ও কাজের বিষয়, ফর্ম ও চিন্তার সূত্র মূলত প্রকৃতি, মানুষ, দৈনন্দিন যাপিত জীবন, আশেপাশের নানাবিধ বস্তু, প্রতিচ্ছবি ও গল্প থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণা। প্রকৃতি-গতি, মহাজাগতিক মহাযাত্রা, সময় ও স্পেসের রহস্য থেকে উদ্ভুত জিজ্ঞাসা ও এসবের সঙ্গে মানুষের আন্তঃসংযোগ বিষয়ে আমার অনুসন্ধান ও ভাবনা আমার কাজের অনেকটাজুড়ে।</p>
<p><img decoding="async" class="size-medium wp-image-2840 alignright" src="https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya3-300x176.jpg" alt="" width="300" height="176" srcset="https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya3-300x176.jpg 300w, https://www.jogsutra.com/wp-content/uploads/2023/08/maya3.jpg 725w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p style="text-align: justify">তিনি বলেন, আমার উপস্থাপনায় কিছু ত্রিমাত্রিক বস্তু বা অবজেক্ট, কিছু আকার, উপাদান, আঙ্গিক আছে, যার অধিকাংশ উপাদান হঠাৎ খুঁজে পাওয়া, পরিত্যক্ত জিনিসপত্র এবং নগরের দৈনন্দিন প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে এসেছে। উপড়ে ফেলা গাছের শেকড় বা কেটে ফেলা ডাল আমি সংগ্রহ করেছি এবং এসব উপাদান ও বস্তুকে নিজের মতো করে রুপান্তর ঘটিয়েছি। এখানে পৃথিবীর ক্রমশ নিঃশেষ হয়ে যাওয়া সম্পর্কিত সংকেত আছে। আমি সময়ের মাত্রাকে এড়িয়ে কিছু দৃশ্যকল্প অবতারণার চেষ্টা করেছি। গুরুত্বহীন বস্তুকে গুরুত্ব দিয়েছি, পরিচিত ফর্মকে অপরিচিত আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছি।</p>
<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.jogsutra.com/2023/08/19/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শৈশবের ঈদ ॥ সালমা তালুকদার</title>
		<link>https://www.jogsutra.com/2022/05/07/%e0%a6%b6%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%88%e0%a6%a6-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://www.jogsutra.com/2022/05/07/%e0%a6%b6%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%88%e0%a6%a6-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[যোগসূত্র]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 May 2022 04:54:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গদ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সালমা তালুকদার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.jogsutra.com/?p=1910</guid>

					<description><![CDATA[আশির দশকের ঈদের সাথে এখনকার ঈদের অনেক পার্থক্য।ঢাকা শহরে মানুষ কত কম ছিল।সবাই কত আপন ছিল। হারিয়ে যাওয়ার বা রাস্তাঘাটে অপমান অপদস্ত হওয়ার কিছু ছিল না।তখন সমাজে বয়সে ছোট মেয়েদের &#8230; ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div><p style="text-align: justify">আশির দশকের ঈদের সাথে এখনকার ঈদের অনেক পার্থক্য।ঢাকা শহরে মানুষ কত কম ছিল।সবাই কত আপন ছিল। হারিয়ে যাওয়ার বা রাস্তাঘাটে অপমান অপদস্ত হওয়ার কিছু ছিল না।তখন সমাজে বয়সে ছোট মেয়েদের নিজের ঘরের ছোট বোন আর মেয়ের মতই মনে করতো সকলে।তাই ঢাকার মতো জায়গায় নিজের এলাকায় সারাদিন ছুটে বেড়ালেও বাসায় কেউ টেনশন করতো না।</p>
<p style="text-align: justify">ঈদ।ঢাকা শহর ফাঁকা হয়ে গেছে।আমার ছোট বেলার মতো।চারপাশে তাকিয়ে ছোটবেলাটা খুঁজি।পাই না।ছোট বেলার ঢাকায় এত জৌলুশ ছিল না।রাস্তাঘাট এত সুন্দর ছিল না।তবে অস্থিরতাও ছিল না।এবার খুঁজতে থাকি ফাঁকা ঢাকায় ছোটবেলার ঈদ আমেজ।</p>
<p style="text-align: justify">আত্মীয়-স্বজনের আনাগোনা।বড় হতে হতে সব হারিয়ে ফেলেছি।মা নেই তাই আত্মীয় স্বজনেরাও নেই।বড় হয়ে দায়িত্বের বোঝা কাঁধে নিতে হয়েছে বলে নিজের ঈদ হারিয়ে গেছে ব্যস্ততার অন্তরালে।</p>
<p style="text-align: justify">ছোটবেলায় ঈদ ছিল একটি কেবল নতুন জামায়।সারা বছরে একটা দামি নতুন জামা পেতাম।এবং সেই জামাটা অবশ্যই একটু স্টাইলিশ হতো।আব্বা সারা জীবনই অনেক ব্যস্ত ছিলেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন।পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন, রাজনীতির সাথেও জড়িত ছিলেন।আমাদের তিন ভাই-বোনের সবকিছু আমার মা দেখতেন। ঈদের বোনাস পেয়ে আব্বা আম্মাকে নির্দিষ্ট একটা টাকার অংক ধরিয়ে দিয়ে দায়িত্ব শেষ করতেন।আর আম্মা সেই টাকা দিয়েই কিভাবে যেন শ্বশুরবাড়ি, বাবার বাড়ি, নিজের ঘরের সব কেনাকাটা সেরে ফেলতেন।</p>
<p style="text-align: justify">আমাদের জামা কাপড় আমাদের সাথে নিয়ে গিয়েই কিনতেন।মৌচাক মার্কেট আর ইস্টার্ন প্লাজা ছিল আমাদের ঈদের মার্কেটিং এর জন্য নির্দিষ্ট মার্কেট।মনে আছে যে জামাটা আর যে জুতাটা পছন্দ করতাম নিজের জন্য আম্মা সেটাই কিনে দিতেন।দোকানদার যদি কোনকিছুর দাম ২০০০ টাকা বলতো অদ্ভুত দক্ষতায় আমার মা সেটার দাম অর্ধেকের ও নিচে নামিয়ে আনতেন।তখন শুধু দেখেছি আর এখন অবাক হয়ে ভাবি এত কম আম্মা কি করে বলতেন!</p>
<p style="text-align: justify">একবার ঈদে বের হলো রাজা, রানী ড্রেস।আমি বায়না ধরলাম আমি রাজা ড্রেস কিনবো।রাজার ড্রেসের মাঝে ফাঁড়া থাকতো।অনেকটা এখনকার লম্বা কোটির মতো।আর রানীর ড্রেস থাকতো ফোলা ফ্রক স্টাইলের।আমি খুব সাজতে পছন্দ করতাম।আব্বা আম্মা কখনো সাজগোজে বাঁধা দেননি।ঈদের দিন খুব সেজেগুজে কাঁধে একটা ব্যাগ ঝুলিয়ে পাড়া বেড়াতে বের হতাম।যখনকার কথা বলছি তখন থাকতাম গোপীবাগ।মতিন সাহেবের বিল্ডিংবলে সবাই চিনতো।পুরো বিল্ডিং চক্কর কেটে ঈদ সালামি নিয়ে নিচে নেমে আসলাম।চার তলার একটা ফ্ল্যাটে কিছু বড় ভাইয়া থাকতেন।সম্ভবত ঐ আন্টির তিন চারটা ছেলে।</p>
<p style="text-align: justify">আমাকে খুব ভালোবাসতেন সবাই।আমি গেলেই ভাইয়াগুলো বলতে থাকতেন ‘আমাদের সালমা আগা এসেছে’। আমি জানতামই না কার নামে আমাকে ডাকা হচ্ছে।খুব মেজাজ খারাপ হতো। ঈদের দিন সেটা চিন্তা করে আর পা বাড়াইনি। সোজা নিচে নেমে এলাম।নেমেই পেয়ে গেলাম এক রানীকে।আর যায় কোথায়! ঈদের সারাদিন রাজা রানী একসাথে ছিলাম।অবশ্য এখন আর মনে নেই রানিটি কে ছিল।</p>
<p style="text-align: justify">তখন ফোন ছিল না।টেনশানও ছিল না।আম্মা রান্নাবান্না, মেহমানদারি নিয়ে ব্যাস্ত থাকতেন।আর আমি সারাদিন বাইরে বাইরে।তিন ভাই-বোনের মধ্যে আমিই চঞ্চল ছিলাম।বাকি দুজন বাসাতেই থাকতো।কিন্তু আমি সারাদিন টই টই করে বিকেলে বাসায় ফিরতাম।</p>
<p style="text-align: justify">এই আমিই আবার যখন বড় হলাম, এইচএসসি পরীক্ষা দিব সামনে। এমনি সময়ের এক ঈদে আম্মা বললেন, ‘এবার তোর আব্বার হাত টান আছে। ঈদে কিছু দিতে পারবে না (আব্বা নতুন বাড়ি করেছেন তখন যাত্রাবাড়ীতে)’। শুধু ছোট বোনের জন্য একটা ড্রেস নিয়ে এসেছিলেন। আমি কিন্তু একটা শব্দও করলাম না।</p>
<p style="text-align: justify">ঈদের সারাদিন আম্মার সাথে ঘরে কাটালাম।এগুলো ভাবলে এখন খুব ভালো লাগে।এক চঞ্চলতা ছাড়া আম্মাকে তেমন ডিস্টার্ব করিনি। চাহিদা কখনোই খুব বেশি ছিল না। দামি কিছুর চাইতে নতুন কিছুর প্রতি আগ্রহ ছিল বরাবর।তাই যে বছর আব্বা নতুন জামা দিতে পারেনি সে বছর এক কালারের কালো সুতি কাপড় কিনে কামিজ বানিয়ে পরেছি।কালো কাপড় কেনার আগে দেখে নিয়েছি বাসায় সাদা সালোয়ার আর ওড়না আছে কিনা।ছোটবেলার ঈদ আনন্দ আর কখনো ফিরে পাব না।তবে এই যে স্মৃতির পাতা হাতড়ে কিছু লিখতে পারা এটাই বা কম কিসে।সবাইকে ঈদ শুভেচ্ছা।</p>
<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.jogsutra.com/2022/05/07/%e0%a6%b6%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%88%e0%a6%a6-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আমি তোমার আলো ॥ সালমা তালুকদার</title>
		<link>https://www.jogsutra.com/2021/05/12/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://www.jogsutra.com/2021/05/12/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[যোগসূত্র]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 May 2021 19:16:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[সালমা তালুকদার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.jogsutra.com/?p=572</guid>

					<description><![CDATA[আকাশের আজ মন ভালো নেই। পরি বলেছে ওর করোনা হয়েছে। আগামী পনেরো দিনের জন্য ঘরবন্দি। এদিকে পরির বাবাও হাসপাতালে আইসিইউতে করোনার সাথে লড়ছে। চাচাকে দেখার কেউ নেই। সংসারে পরি আর &#8230; ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div><p style="text-align: justify">আকাশের আজ মন ভালো নেই। পরি বলেছে ওর করোনা হয়েছে। আগামী পনেরো দিনের জন্য ঘরবন্দি। এদিকে পরির বাবাও হাসপাতালে আইসিইউতে করোনার সাথে লড়ছে। চাচাকে দেখার কেউ নেই।</p>
<p style="text-align: justify">সংসারে পরি আর ওর বাবা ছাড়া কেউ নেই।পরি ফোনে ফোনে যতটুকু যা পারছে করছে। তবু কতটুকুই আর। আকাশ ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে।</p>
<p style="text-align: justify">পরির বাবার সাথে কোনোদিন ওর পরিচয় ঘটেনি। আর ওদের সম্পর্কটাও খুব বেশিদিনের নয়। দুষ্টুমির ছলেই ওদের পরিচয়। বলার মতো এখনো কিছু হয়নি। তবু আকাশের মনে তোলপাড় হচ্ছে খুব। পরির বাবার হাসপাতালে ভর্তির দুই দিনের মাথায় সিদ্ধান্ত নিল আকাশ। পরিচয় গোপন রেখে হাসপাতালের বিল হতে শুরু করে পরির বাবার সব রকম সেবা সে করলো। কেমন করে যেন লোকটার প্রতি একরকম মায়াও জন্মে গেছিলো। পরির বাবার চোখের কোনা দিয়ে পানি পরতে দেখতো আকাশ। ওটাই দোয়া ধরে নিয়েছিল। কারণ আকাশের মনে হচ্ছিল বার বার যদি উনি জানতেন, ‘আমি তার মেয়েকে ভালোবাসি’।</p>
<p style="text-align: justify">আকাশ পরির বাবাকে বাবা বলেই ডাকতো। শেষদিন আকাশের আপাদমস্তক পিপিইউ পরিহিত শরীরে হাত বুলিয়েছিলেন ভদ্রলোক। আকাশ কিছু ছবি তুলে রেখেছিল। তারপর তো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে পরির কথোপকথনে আকাশই পরির বাবার দাফন সম্পন্ন করেছিল। এর ফাঁকে পরিকে যতটুকু মানসিক সাপোর্ট দেওয়া যায় আকাশ দিতো। কিন্তু একবারের জন্যেও পরির কাছে যায়নি। আর পরি তার বাবার জন্য যে টাকা পাঠাতো তা একটা খামে ভরে রেখেছিল। সাথে বাবার সাথে তোলা আকাশের ছবি।</p>
<p style="text-align: justify">যেদিন পরির করোনা রেজাল্ট নেগেটিভ আসলো সেদিন আকাশ ওর বাসায় গেলো। পরির সব কান্না মনে হয় আকাশের জন্যেই জমা ছিল। আকাশকে জড়িয়ে ধরে পরির বাধভাঙা কান্নায় আকাশও শামিল হলো। ভদ্রলোককে তো আকাশ নিজের হাতে দাফন করেছে। মায়া তো আছেই। পরিকে সান্ত্বনা দিচ্ছিল আর পরির বাবার চেহারা আকাশের চোখের সামনে ভেসে আসছিল। আকাশ পরিকে ধরে তার পাশে বসালো। দু্ই হাতে পরির সুন্দর মুখখানা তুলে ধরে বললো, ‘কেন ভেঙে পরছো পরি। আমি আছি না? তোমার আকাশ। তোমার সব কষ্ট ভুলিয়ে দিব। তোমাকে অনেক ভালোবাসবো।’</p>
<p style="text-align: justify">পরি ফ্যাল ফ্যাল করে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলো। ভাবলো, তেমন সম্পর্ক তো হয়নি। হলে পরির করোনার সময়ে আকাশের সাথে কথোপকথনের সময়সীমা আরো বেশি হতো। তেমন সম্পর্ক হলে পরি তার বাবার জন্য আকাশের কাছে সাহায্য চাই তো। কিন্তু সেরকম কোনো সম্পর্ক নেই বলেই তো পরির বিপদে আকাশকে ডাকতে বা ডেকে কষ্ট দিতে ইচ্ছে হয়নি। পরি কিছু ভাবতে পারছিল না। বার বার মনে হচ্ছিল, এখন কেন এ কথা বলছো আকাশ। এতদিন কোথায় ছিলে? এখন তুমি যাও। তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify"><span style="color: #ff0000">কিন্তু মনে ঝড় বয়ে গেলেও মুখে কিছু আসছিল না পরির। আকাশ সব বুঝতে পারছিল। পরিকে রেখে উঠে গিয়ে খাটের পাশের জানালাটা একটু খুলে দিল। তখন বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। সূর্য আজকের মতো তার পাট চুকাতে ব্যস্ত। </span></p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify">যেতে যেতে পরির জানালা দিয়ে ঘরে উঁকি দিল। লাল আলোটা এসে পরির মুখটা আরো লাল করে দিল। আকাশ মুগ্ধ হয়ে পরিকে দেখলো। কাছে এসে পরির লাল মুখটা তুলে ধরে বললো, ‘ঝেড়ে ফেলো মনের সব কথাগুলো। যে আলোর রশ্মিটা তোমার মুখ ছুঁয়েছে আজ। সেটা আগামীকাল বড় হয়ে তোমার ঘর আলো করবে। পরি তুমি আমায় চিনতে পারছো? আমি তোমার আকাশ। আমি তোমার আলো। আমি তোমার কাছে আসিনি ঠিক কিন্তু বাবার কাছে ছিলাম পরি। আমি তোমার বাবাকে দেখেছি। আমি তোমাকে দেখছি। আমার থেকে তোমার কোনো ভয় নেই।’</p>
<p style="text-align: justify">পরি অবাক হওয়ার শক্তিটাও মনে হয় হারিয়ে ফেলেছে। আকাশের দিকে আর তাকিয়ে থাকতে পারলো না। আকাশের বুকে পুরো শরীরটা এলিয়ে দিল। আকাশও এক বুক ভালোবাসা নিয়ে পরিকে জড়িয়ে ধরলো।</p>
<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.jogsutra.com/2021/05/12/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জীবন বড় সুন্দর ॥ সালমা তালুকদার</title>
		<link>https://www.jogsutra.com/2021/04/13/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://www.jogsutra.com/2021/04/13/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[যোগসূত্র]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Apr 2021 17:56:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[সালমা তালুকদার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.jogsutra.com/?p=339</guid>

					<description><![CDATA[জীবন বড় সুন্দর জীবিকার জন্য হোক আর সময়ের প্রয়োজনেই হোক, লেখাপড়াটার ওপর জোর দিয়েছিলাম অনেক বেশি। সেশনজট এর পাল্লায় পড়ে শিক্ষা জীবনের পরিসমাপ্তিটা বোধ করি বড্ড দেরিতেই আসলো। যতদিন স্যারদের &#8230; ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div><p style="text-align: justify"><span style="color: #ff0000"><strong>জীবন বড় সুন্দর</strong></span></p>
<p style="text-align: justify">জীবিকার জন্য হোক আর সময়ের প্রয়োজনেই হোক,<br />
লেখাপড়াটার ওপর জোর দিয়েছিলাম<br />
অনেক বেশি।<br />
সেশনজট এর পাল্লায় পড়ে<br />
শিক্ষা জীবনের পরিসমাপ্তিটা বোধ করি<br />
বড্ড দেরিতেই আসলো।<br />
যতদিন স্যারদের লেকচার শুনেছি<br />
আর রুমে ফিরে পড়ায় ডুবে যাওয়ার আগে ভেবেছি,<br />
আহ! জীবন কত সুন্দর।</p>
<p style="text-align: justify">কিংবা ক্লাসের ফাঁকে<br />
ক্যান্টিনে বসে আড্ডা দিয়েছি আর ভেবেছি,<br />
আহ! জীবনটা কতই মধুর।</p>
<p style="text-align: justify">হয়তো বা টিএসসিতে বসে<br />
আসর মাতিয়ে রেখেছি,<br />
আর মাঝখানে চিৎকার করে বলেছি<br />
‌‌মামা, ১০ কাপ কফি রেডি করেন&#8217;<br />
তখন জীবনটা এত কঠিন ভাবিনি।</p>
<p style="text-align: justify">একুশে ফেব্রুয়ারি,পহেলা ফাল্গুন,<br />
পহেলা বৈশাখ<br />
এরকম কতো বিশেষ দিনে<br />
শাড়ি,রেশমি চুড়ি পরে,<br />
ঘণ্টার পর ঘণ্টা, রাস্তার পর রাস্তা<br />
হেঁটে বেড়িয়েছি বন্ধুদের সাথে।</p>
<p style="text-align: justify">হাঁটতে হাঁটতে কখনো হয়তো বন্ধুর থেকে আনা জুতোর ফিতেটা ছিঁড়ে গেলো<br />
মন খারাপ করে বললাম,<br />
‌সখি তোর জুতোটা কানা করে দিলাম।&#8217;<br />
সখি মিষ্টি করে হেসে বলল,‌ তাতে কি! যখন বড় ব্যাংকে চাকরি করবি,<br />
তখন না হয়<br />
নতুন দু-জোড়া জুতোর সাথে<br />
পুরোনো এই জুতোটাও দিয়ে দিস। মনে থাকবে।&#8221;<br />
হাসতে হাসতে সখীরা আমরা<br />
গড়াগড়ি খাই।</p>
<p style="text-align: justify">ছেঁড়া স্যান্ডেলটা হাতে নিয়েই আবার হাঁটতে থাকি।<br />
ভেবেছি,আহ! জীবন কত সুন্দর।</p>
<p style="text-align: justify">পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর<br />
যে যার যার জীবিকার সন্ধানে চলে গেল।<br />
কারো বিয়ে হয়ে গেলো,<br />
হয়তো কারো কঠিন অসুখে<br />
মৃত্যু হয়ে গেলো।</p>
<p style="text-align: justify">আর আমি!<br />
ভার্সিটির ক্লাস, ক্যান্টিন আর পরীক্ষার<br />
খাতায় ঝড় তোলা মেয়েটি।<br />
সারা জীবনের সঞ্চয় করা<br />
সার্টিফিকেটের ফাইলটা বুকে নিয়ে<br />
হেঁটে বেড়াই।<br />
আর, এক অফিস থেকে অন্য অফিসের দরজায় কড়া নাড়ি।<br />
আজও হাঁটতে হাঁটতে আমার স্যান্ডেলের<br />
ফিতে ছিঁড়ে যায়।<br />
টিউশনির টাকায় ফুটপাত থেকে<br />
কেনা সস্তার স্যান্ডেল।</p>
<p style="text-align: justify">আজ আর কোনো সখীর সাথে দেখা হয় না,<br />
দেখা হলেও স্যান্ডেল ধার করার কথা<br />
মনে হয় না।<br />
আগের ধারই যে শোধ করা বাকি।<br />
মা, খালা বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজতে গিয়ে<br />
আজ বড্ড ক্লান্ত।<br />
ছেলেরা নাকি কচি খুকি চায়,<br />
বুঝদার বুড়ি খুকি নাকি তাদের<br />
মাথা চিবিয়ে খায়।</p>
<p style="text-align: justify">এখন একটাই আশা<br />
স্যান্ডেলের তলা ক্ষয় হয় হোক,<br />
পায়ের তলা যেন ক্ষয় না হয়।<br />
একটা রুটি রুজির ব্যবস্থা করতে গিয়ে<br />
পায়ের তলার চামড়া ক্ষয় হলে,<br />
স্বনামধন্য ডাক্তারের পকেট ভরতে<br />
আজ আর কেউ এগিয়ে আসবে না।</p>
<div style="margin-top: 0px; margin-bottom: 0px;" class="sharethis-inline-share-buttons" ></div>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.jogsutra.com/2021/04/13/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a5%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
